Logo
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন | প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

হিলিতে পুলিশের অভিযানে ৭ মাসে আটক ৪৫২

হিলিতে পুলিশের অভিযানে ৭ মাসে আটক ৪৫২

দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা হিলিতে মাদকের বিস্তার ঠেকাতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এতে অভিযান চালিয়ে ৭ মাসে ৪৫২ জনকে আটক করা হয়েছে।

শুধু মাদক বহনকারী বা সেবনকারী নয় এর নেপথ্যে থাকা সরবরাহকারী ও ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতেও চলছে নজরদারি। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

হাকিমপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে ৮৬ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদক সরবরাহকারী ২৪২ এবং সেবনের দায়ে ২১০ জনকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, এ উপজেলা সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এখানে মাদকের বিস্তার অনেক। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় হাকিমপুর থানা পুলিশ যে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে আমরা তার জন্য ধন্যবাদ জানাই।

মাদকের সঙ্গে আপস নেই, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান চালাতে যে কোনো সহায়তা আমাদের পক্ষ থেকে করা হবে। পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাক সেটা আমরা চাই।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, মাদকসেবীদের চিহ্নিত করার জন্য উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি এবং মাসিক সভায় মাদক সেবনকারীদের চিহ্নিত করার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার এক ধরনের ডিভাইস মেশিন পাওয়া যায়, সেটা কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে হিলির মাদক প্রবণতা আরও কমে আসবে। বর্তমান উপজেলা প্রশাসন ও থানার ওসি মাদকের বিরুদ্ধে যে কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে আমরা এজন্য সাধুবাদ জানাই। বর্তমানে হিলির মাদক অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। সেই মোতাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাদক নিয়ন্ত্রণে হাকিমপুর থানা পুলিশ নিয়মিতভাবে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, হিলি একটি সীমান্তবর্তী এলাকা, এখানে মাদকের একটা সহজলভ্যতা থাকে, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে শুরু থেকেই কাজ করে আসছি। মাদকের বিরুদ্ধে কোন ছাড় নেই। যার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাকেই আইনের আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে সচেতনতা বাড়াতে মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও স্কুল কলেজে মাদকবিরোধী সেমিনার করা।